হাঁটুর ব্যথায় কাবু এখন অনেকেই। কেবল বয়স্করা নন, ৪০ পেরোনোর আগেই অনেকের ক্ষেত্রে শুরু হচ্ছে ভোগান্তি। কিছু ক্ষণ শুয়ে থাকার পর উঠতে গেলে ব্যথা, দাঁড়াতে গেলে ব্যথা, সিঁড়ি ভাঙতে গেলেও টনটনিয়ে ওঠে হাঁটু। চিকিৎসকদের মতে, হাঁটুর ব্যথা আগে ছিল বয়সজনিত সমস্যা। কিন্তু এখন জীবনযাপনের ধরনের কারণে ৩০ থেকে ৪০ বছরেও ব্যথা কাবু করছে।
হাঁটুর জয়েন্ট একটি যান্ত্রিক কব্জার মতো কাজ করে। হাড়ের প্রান্তগুলি তরুণাস্থি দিয়ে আবৃত থাকে। এই তরুণাস্থি ধীরে ধীরে শুকিয়ে গেলে হাড়গুলি একে অপরের সঙ্গে ঘর্ষণ করতে শুরু করে। এর ফলে ব্যথা, ফোলাভাব, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং কখনও কখনও হাঁটার সময় হাঁটুর হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো ভয়ঙ্কর অনুভূতি হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস বলা হয়। আগে ৬০ বছরের পরে বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতেন মানুষ। তবে এখন ৪০ বছরের আগেই অস্টিয়োআর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণায় কাতর হচ্ছেন বহু মানুষ। চিকিৎসকদের মতে এর নেপথ্যে রয়েছে ৩টি বড় কারণ।
বাড়তি ওজন: খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, ব্যায়াম না করার কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে অনেকের। বাড়তি ওজনের কারণে চাপ পড়ছে হাঁটুতে। চিকিৎসকদের মতে ১ কেজি বাড়তি ওজন থাকলে হাঁটার সময়ে হাঁটুর উপর ৩-৪ কেজি বাড়তি চাপ পড়ে। কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি সেই ওজন নিতে পারে না। তাই ভোগান্তি বাড়ে। তাই অল্প বয়সে হাঁটুর ব্যথায় কাতর হতে না চাইলে সবার আগে ওজন কমান।
দুর্বল পায়ের পেশি: ঊরুর সামনের দিকের কোয়াড্রিসেপস পেশিগুলি হাঁটুর জন্য একটি প্রাকৃতিক সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। শরীরচর্চার অভাবের কারণে যখন এই পেশিগুলি নিষ্ক্রিয় থাকে আর দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন হাঁটু স্থিতিশীলতা হারায়। আর তাতেই শুরু হয় সমস্যা। টানা ৭-৮ ঘণ্টা কম্পিউটারে বসে কাজ করেন যাঁরা, শরীরচর্চার ধাত নেই খুব একটা, তাঁরাও ভুগছেন হাঁটুর ব্যথায়।
পুরনো আঘাত: অল্প বয়সে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া বা মেনিস্কাসের আঘাত যদি সেই সময়ে উপেক্ষা করা হয়, তা হলে কিন্তু সেই থেকে পরবর্তীকালে আর্থ্রাইটিসের সমস্যা হতে পারে। তাই কোনও চোট আঘাত ফেলে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
হাঁটুর জয়েন্ট একটি যান্ত্রিক কব্জার মতো কাজ করে। হাড়ের প্রান্তগুলি তরুণাস্থি দিয়ে আবৃত থাকে। এই তরুণাস্থি ধীরে ধীরে শুকিয়ে গেলে হাড়গুলি একে অপরের সঙ্গে ঘর্ষণ করতে শুরু করে। এর ফলে ব্যথা, ফোলাভাব, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং কখনও কখনও হাঁটার সময় হাঁটুর হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো ভয়ঙ্কর অনুভূতি হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস বলা হয়। আগে ৬০ বছরের পরে বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতেন মানুষ। তবে এখন ৪০ বছরের আগেই অস্টিয়োআর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণায় কাতর হচ্ছেন বহু মানুষ। চিকিৎসকদের মতে এর নেপথ্যে রয়েছে ৩টি বড় কারণ।
বাড়তি ওজন: খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, ব্যায়াম না করার কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে অনেকের। বাড়তি ওজনের কারণে চাপ পড়ছে হাঁটুতে। চিকিৎসকদের মতে ১ কেজি বাড়তি ওজন থাকলে হাঁটার সময়ে হাঁটুর উপর ৩-৪ কেজি বাড়তি চাপ পড়ে। কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি সেই ওজন নিতে পারে না। তাই ভোগান্তি বাড়ে। তাই অল্প বয়সে হাঁটুর ব্যথায় কাতর হতে না চাইলে সবার আগে ওজন কমান।
দুর্বল পায়ের পেশি: ঊরুর সামনের দিকের কোয়াড্রিসেপস পেশিগুলি হাঁটুর জন্য একটি প্রাকৃতিক সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। শরীরচর্চার অভাবের কারণে যখন এই পেশিগুলি নিষ্ক্রিয় থাকে আর দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন হাঁটু স্থিতিশীলতা হারায়। আর তাতেই শুরু হয় সমস্যা। টানা ৭-৮ ঘণ্টা কম্পিউটারে বসে কাজ করেন যাঁরা, শরীরচর্চার ধাত নেই খুব একটা, তাঁরাও ভুগছেন হাঁটুর ব্যথায়।
পুরনো আঘাত: অল্প বয়সে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া বা মেনিস্কাসের আঘাত যদি সেই সময়ে উপেক্ষা করা হয়, তা হলে কিন্তু সেই থেকে পরবর্তীকালে আর্থ্রাইটিসের সমস্যা হতে পারে। তাই কোনও চোট আঘাত ফেলে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
ফারহানা জেরিন